অর্থ আইন ২০২৬-এর মাধ্যমে সঞ্চয়পত্র সংক্রান্ত করব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এসেছে, যা একজন ব্যক্তিকরদাতার কর পরিকল্পনাকে প্রভাবিত করবে। এতদিন সঞ্চয়পত্রের মুনাফা থেকে কেটে রাখা উৎসে কর চূড়ান্ত কর দায় হিসেবে গণ্য হতো — অর্থাৎ একবার কেটে নেওয়ার পর তা নিয়ে আর কিছু করার থাকত না।
যা পরিবর্তন হলো
সঞ্চয়পত্রের মুনাফা দেওয়ার সময় যে উৎসে কর কেটে রাখা হয়, তা আর চূড়ান্ত কর দায় হিসেবে বিবেচনা করা হবে না। এখন থেকে সঞ্চয়পত্রের আয় করদাতার মোট আয়ের সাথে যোগ হবে এবং ব্যক্তিভেদে নির্ধারিত করধাপ অনুযায়ী কর ধার্য করা হবে।
কার জন্য লাভ, কার জন্য বাড়তি বোঝা
এই পরিবর্তনের ফলে যাঁরা ১০%-এর বেশি করধাপে পড়েন, তাঁদের করের বোঝা বাড়বে — কারণ আগে যেখানে ১০% হারে কেটেই দায়মুক্ত হওয়া যেত, এখন সেই আয়ের ওপর তাঁদের প্রকৃত করধাপ অনুযায়ী (যেমন ১৫%, ২০% বা তার বেশি) কর দিতে হবে। তবে যাঁদের বাৎসরিক আয় করমুক্ত সীমা ৪,০০,০০০ টাকার নিচে, তাঁরা এই নিয়মে উপকৃত হবেন, কারণ তাঁদের কেটে রাখা কর এখন ফেরতযোগ্য হয়ে উঠেছে।
ফেরত না সমন্বয় — আপনার জন্য কোনটি প্রযোজ্য
আপনার আয় যদি করমুক্ত সীমার নিচে হয়, তবে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় কেটে রাখা কর ফেরত দাবি করতে পারেন। আর যাঁদের আয় করমুক্ত সীমার ওপরে, তাঁরা তাঁদের প্রদেয় করের বিপরীতে উৎসে কেটে রাখা কর সমন্বয়ের সুযোগ পাবেন। কেটে রাখা টাকা এখন আপনার সামগ্রিক কর হিসাবের একটি অংশ হিসেবে গণ্য হবে।
একটি উদাহরণ
ধরা যাক, কোনো ব্যক্তির সঞ্চয়পত্র থেকে বাৎসরিক মুনাফা ১,০০,০০০ টাকা এবং অন্যান্য উৎস থেকে আয় ৩,৫০,০০০ টাকা — অর্থাৎ মোট করযোগ্য আয় ৪,৫০,০০০ টাকা। সঞ্চয়পত্র থেকে ১০% হারে ১০,০০০ টাকা উৎসে কর কেটে রাখা হয়েছে। তাঁর করধাপ অনুযায়ী প্রকৃত প্রদেয় কর দাঁড়ায় মাত্র ৫,০০০ টাকা। যেহেতু ইতিমধ্যে ১০,০০০ টাকা কেটে নেওয়া হয়েছে, তাই রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় তিনি বাকি ৫,০০০ টাকা ফেরত দাবি করতে পারবেন। এই উদাহরণ থেকেই বোঝা যায়, কেটে রাখা কর রিটার্নের মাধ্যমে সমন্বয় বা ফেরতের সুযোগ তৈরি করে।
আপনার যদি টিন (TIN) না থাকে, তবে একটি টিন গ্রহণ করে আয়কর রিটার্ন দাখিল করা বুদ্ধিমত্তার কাজ হবে, যাতে সঞ্চয়পত্র থেকে কেটে নেওয়া কর ফেরত দাবি করা যায়। আর যাঁরা উচ্চ হারে কর দিচ্ছেন, তাঁদের উচিত সঠিক কর পরিকল্পনা করা, যাতে কোথায় বিনিয়োগ করলে সর্বোচ্চ রিটার্ন পাওয়া যাবে তা নির্ধারণ করা যায়। শুধু সঞ্চয়পত্র নয়, সামগ্রিক বিনিয়োগ পোর্টফোলিও বিবেচনায় নিয়ে বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নেওয়াই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।
অর্থ আইন ২০২৬-এর মাধ্যমে সঞ্চয়পত্র সংক্রান্ত করব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এসেছে, যা একজন ব্যক্তিকরদাতার কর পরিকল্পনাকে প্রভাবিত করবে। এতদিন সঞ্চয়পত্রের মুনাফা থেকে কেটে রাখা উৎসে কর চূড়ান্ত কর দায় হিসেবে গণ্য হতো — অর্থাৎ একবার কেটে নেওয়ার পর তা নিয়ে আর কিছু করার থাকত না।
যা পরিবর্তন হলো
সঞ্চয়পত্রের মুনাফা দেওয়ার সময় যে উৎসে কর কেটে রাখা হয়, তা আর চূড়ান্ত কর দায় হিসেবে বিবেচনা করা হবে না। এখন থেকে সঞ্চয়পত্রের আয় করদাতার মোট আয়ের সাথে যোগ হবে এবং ব্যক্তিভেদে নির্ধারিত করধাপ অনুযায়ী কর ধার্য করা হবে।
কার জন্য লাভ, কার জন্য বাড়তি বোঝা
এই পরিবর্তনের ফলে যাঁরা ১০%-এর বেশি করধাপে পড়েন, তাঁদের করের বোঝা বাড়বে — কারণ আগে যেখানে ১০% হারে কেটেই দায়মুক্ত হওয়া যেত, এখন সেই আয়ের ওপর তাঁদের প্রকৃত করধাপ অনুযায়ী (যেমন ১৫%, ২০% বা তার বেশি) কর দিতে হবে। তবে যাঁদের বাৎসরিক আয় করমুক্ত সীমা ৪,০০,০০০ টাকার নিচে, তাঁরা এই নিয়মে উপকৃত হবেন, কারণ তাঁদের কেটে রাখা কর এখন ফেরতযোগ্য হয়ে উঠেছে।
ফেরত না সমন্বয় — আপনার জন্য কোনটি প্রযোজ্য
আপনার আয় যদি করমুক্ত সীমার নিচে হয়, তবে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় কেটে রাখা কর ফেরত দাবি করতে পারেন। আর যাঁদের আয় করমুক্ত সীমার ওপরে, তাঁরা তাঁদের প্রদেয় করের বিপরীতে উৎসে কেটে রাখা কর সমন্বয়ের সুযোগ পাবেন। কেটে রাখা টাকা এখন আপনার সামগ্রিক কর হিসাবের একটি অংশ হিসেবে গণ্য হবে।
একটি উদাহরণ
ধরা যাক, কোনো ব্যক্তির সঞ্চয়পত্র থেকে বাৎসরিক মুনাফা ১,০০,০০০ টাকা এবং অন্যান্য উৎস থেকে আয় ৩,৫০,০০০ টাকা — অর্থাৎ মোট করযোগ্য আয় ৪,৫০,০০০ টাকা। সঞ্চয়পত্র থেকে ১০% হারে ১০,০০০ টাকা উৎসে কর কেটে রাখা হয়েছে। তাঁর করধাপ অনুযায়ী প্রকৃত প্রদেয় কর দাঁড়ায় মাত্র ৫,০০০ টাকা। যেহেতু ইতিমধ্যে ১০,০০০ টাকা কেটে নেওয়া হয়েছে, তাই রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় তিনি বাকি ৫,০০০ টাকা ফেরত দাবি করতে পারবেন। এই উদাহরণ থেকেই বোঝা যায়, কেটে রাখা কর রিটার্নের মাধ্যমে সমন্বয় বা ফেরতের সুযোগ তৈরি করে।
আপনার যদি টিন (TIN) না থাকে, তবে একটি টিন গ্রহণ করে আয়কর রিটার্ন দাখিল করা বুদ্ধিমত্তার কাজ হবে, যাতে সঞ্চয়পত্র থেকে কেটে নেওয়া কর ফেরত দাবি করা যায়। আর যাঁরা উচ্চ হারে কর দিচ্ছেন, তাঁদের উচিত সঠিক কর পরিকল্পনা করা, যাতে কোথায় বিনিয়োগ করলে সর্বোচ্চ রিটার্ন পাওয়া যাবে তা নির্ধারণ করা যায়। শুধু সঞ্চয়পত্র নয়, সামগ্রিক বিনিয়োগ পোর্টফোলিও বিবেচনায় নিয়ে বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নেওয়াই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।
অর্থ আইন ২০২৬-এর মাধ্যমে সঞ্চয়পত্র সংক্রান্ত করব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এসেছে, যা একজন ব্যক্তিকরদাতার কর পরিকল্পনাকে প্রভাবিত করবে। এতদিন সঞ্চয়পত্রের মুনাফা থেকে কেটে রাখা উৎসে কর চূড়ান্ত কর দায় হিসেবে গণ্য হতো — অর্থাৎ একবার কেটে নেওয়ার পর তা নিয়ে আর কিছু করার থাকত না।
যা পরিবর্তন হলো
সঞ্চয়পত্রের মুনাফা দেওয়ার সময় যে উৎসে কর কেটে রাখা হয়, তা আর চূড়ান্ত কর দায় হিসেবে বিবেচনা করা হবে না। এখন থেকে সঞ্চয়পত্রের আয় করদাতার মোট আয়ের সাথে যোগ হবে এবং ব্যক্তিভেদে নির্ধারিত করধাপ অনুযায়ী কর ধার্য করা হবে।
কার জন্য লাভ, কার জন্য বাড়তি বোঝা
এই পরিবর্তনের ফলে যাঁরা ১০%-এর বেশি করধাপে পড়েন, তাঁদের করের বোঝা বাড়বে — কারণ আগে যেখানে ১০% হারে কেটেই দায়মুক্ত হওয়া যেত, এখন সেই আয়ের ওপর তাঁদের প্রকৃত করধাপ অনুযায়ী (যেমন ১৫%, ২০% বা তার বেশি) কর দিতে হবে। তবে যাঁদের বাৎসরিক আয় করমুক্ত সীমা ৪,০০,০০০ টাকার নিচে, তাঁরা এই নিয়মে উপকৃত হবেন, কারণ তাঁদের কেটে রাখা কর এখন ফেরতযোগ্য হয়ে উঠেছে।
ফেরত না সমন্বয় — আপনার জন্য কোনটি প্রযোজ্য
আপনার আয় যদি করমুক্ত সীমার নিচে হয়, তবে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় কেটে রাখা কর ফেরত দাবি করতে পারেন। আর যাঁদের আয় করমুক্ত সীমার ওপরে, তাঁরা তাঁদের প্রদেয় করের বিপরীতে উৎসে কেটে রাখা কর সমন্বয়ের সুযোগ পাবেন। কেটে রাখা টাকা এখন আপনার সামগ্রিক কর হিসাবের একটি অংশ হিসেবে গণ্য হবে।
একটি উদাহরণ
ধরা যাক, কোনো ব্যক্তির সঞ্চয়পত্র থেকে বাৎসরিক মুনাফা ১,০০,০০০ টাকা এবং অন্যান্য উৎস থেকে আয় ৩,৫০,০০০ টাকা — অর্থাৎ মোট করযোগ্য আয় ৪,৫০,০০০ টাকা। সঞ্চয়পত্র থেকে ১০% হারে ১০,০০০ টাকা উৎসে কর কেটে রাখা হয়েছে। তাঁর করধাপ অনুযায়ী প্রকৃত প্রদেয় কর দাঁড়ায় মাত্র ৫,০০০ টাকা। যেহেতু ইতিমধ্যে ১০,০০০ টাকা কেটে নেওয়া হয়েছে, তাই রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় তিনি বাকি ৫,০০০ টাকা ফেরত দাবি করতে পারবেন। এই উদাহরণ থেকেই বোঝা যায়, কেটে রাখা কর রিটার্নের মাধ্যমে সমন্বয় বা ফেরতের সুযোগ তৈরি করে।
আপনার যদি টিন (TIN) না থাকে, তবে একটি টিন গ্রহণ করে আয়কর রিটার্ন দাখিল করা বুদ্ধিমত্তার কাজ হবে, যাতে সঞ্চয়পত্র থেকে কেটে নেওয়া কর ফেরত দাবি করা যায়। আর যাঁরা উচ্চ হারে কর দিচ্ছেন, তাঁদের উচিত সঠিক কর পরিকল্পনা করা, যাতে কোথায় বিনিয়োগ করলে সর্বোচ্চ রিটার্ন পাওয়া যাবে তা নির্ধারণ করা যায়। শুধু সঞ্চয়পত্র নয়, সামগ্রিক বিনিয়োগ পোর্টফোলিও বিবেচনায় নিয়ে বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নেওয়াই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।
জসীম উদ্দিন রাসেল
লিড ট্যাক্স এডভাইজার, বিডিট্যাক্স

Leave A Comment