টিন নেওয়া সত্ত্বেও একাধিক বছর রিটার্ন দাখিল না করলে, পুনরায় দাখিল করতে চাইলে কি করবেন?

//টিন নেওয়া সত্ত্বেও একাধিক বছর রিটার্ন দাখিল না করলে, পুনরায় দাখিল করতে চাইলে কি করবেন?

টিন নেওয়া সত্ত্বেও একাধিক বছর রিটার্ন দাখিল না করলে, পুনরায় দাখিল করতে চাইলে কি করবেন?

বর্তমান আয়কর আইন অনুযায়ী আপনার যদি করযোগ্য আয় ২৫০,০০০ টাকা অতিক্রম করে তাহলে আপনাকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এ আয়কর বিবরণী জমা দিতে হবে। কিন্তু এর বাইরেও, আপনার আয় এই সীমা অতিক্রম না করলেও ১৮৪ ধারা অনুযায়ী আয়কর বিবরণী জমা দিতে হবে।

যেমন, আপনার যদি মাসিক মূল বেতন ১৬,০০০ টাকা হয় তাহলেই আপনাকে রিটার্ন দাখিল করতে হবে। এই ক্ষেত্রে আপনার করযোগ্য আয় ২৫০,০০০ টাকা অতিক্রম না করলেও আপনাকে রিটার্ন দাখিল করতে হবে।

এখন আপনি কোন কারনে হয়তো টিন নিয়েছেন এবং তারপর আয়কর রিটার্ন আপনার জন্য বাধ্যতামূলক হয়েছে। সেজন্য সেই বছর আপনি হয়তো রিটার্নও দাখিল করেছেন।

নিয়ম হলো, আপনি যদি একবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে রিটার্ন দাখিল করেন তাহলে পর পর তিনবার আপনার করযোগ্য আয় না থাকলেও আপনাকে রিটার্ন দাখিল করে যেতে হবে।

আপনি যদি এই নিয়ম না মানেন তাহলেই আপনি আয়কর আইন ভাঙার দায়ে জরিমানার মধ্যে পড়তে হবে।

এমন অবস্থায়, কোন কারনে যদি আপনি কোন বছরে বা একাধিক বছরে আয়কর রিটার্ন দাখিল না করে থাকেন এবং এখন সেই বকেয়া আয় বছরের আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে চান তাহলে কি করবেন?

প্রথম কথা হলো আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে কোন বাধা নেই। আপনি বকেয়া যে কোন বছরের জন্য তা একাধিক বছরের জন্য হলেও আপনি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন।

এখন আপনি যেহেতু আয়কর আইন মানেননি তাই আপনাকে কিছু জরিমানা দিতে হবে রিটার্ন দাখিল করার সাথে। সেই জরিমানাসহ রিটার্ন দাখিল করলেই আপনি আবার নিয়মিত হয়ে গেলেন।

এখন প্রশ্ন হলো, এই জরিমানার পরিমান কতো?

উপযুক্ত কারন ছাড়া যদি কোন করদাতা আয়কর বিবরণী দাখিল করতে ব্যর্থ হন তাহলে ডিসিটি তার গত বছরের নির্ধারিত করের উপর ১০% সুদ ধার্য করতে পারেন। এবং এই সুদের পরিমান এক হাজার টাকার নিচে হবে না। যদি তিনি এই কাজ করতেই থাকেন তাহলে প্রতিদিনের জন্য পঞ্চাশ টাকা হারে জরিমানা দিতে হবে।

তবে কোন করদাতা যদি আগে করযোগ্য না হয়ে থাকেন তালে তার জরিমানা পাচ হাজার টাকার বেশি হবে না।

আর যদি তার আয় করযোগ্য হয়ে থাকে তাহলে তিনি গত বছর যে কর দিয়েছিলেন তার ৫০% অথবা এক হাজার টাকা, এই দুই অংকের মধ্যে যেটা বেশি সেটা তাকে জরিমানা হিসেবে দিতে হবে।

বর্তমানে আয়কর রিটার্ন দাখিল করার ফর্ম আগের চেয়ে অনেক সংক্ষিপ্ত এবং সহজ করা হচ্ছে যাতে করে করদাতা ভয় না পান। জটিলতা ছাড়াই যেন করদাতা তার রিটার্ন দাখিল করতে পারেন সেই চিন্তা মাথায় রেখেই প্রতি বছর আয়কর ফর্ম আগের থেকে সহজতর করা হচ্ছে।

এর বাইরে এখন তথ্য প্রযুক্তির যুগে অনলাইনেও আপনি খুব সহজেই আপনার রিটার্ন পূরণ করতে পারেন। পরে সেটা প্রিন্ট দিয়ে জমা দিতে পারেন।

এজন্য আপনি সাহায্য নিতে পারেন bdtax.com.bd- ওয়েবসাইট-এর। এখানে আপনি লগ ইন করে খুব সহজে নিজেই নিজের রিটার্ন পূরণ করতে পারেন।

তবে আপনি যেভাবেই আপনার রিটার্ন পূরণ করেন না কেন, আপনাকে নিয়মিত রিটার্ন দাখিল করার ব্যাপারে আন্তরিক থাকতে হবে। এতে করে যেমন দেশের আইন মানা হবে অন্য দিকে জরিমানার হাত থেকেও বাঁচা যাবে।

জসীম উদ্দিন রাসেল
Facebook
©BDTax.com.bd 2018

By | 2019-05-16T06:12:55+00:00 May 13th, 2018|Tax Filing|2 Comments

About the Author:

2 Comments

  1. Md Ashiqur November 24, 2018 at 8:29 am - Reply

    I have enrolled for e-TIN on 2017 for Job purpose. My basic salary is 10000 and monthly net income is 15000 and didn’t submit any tax return till now. Do i need to submit tax return with penalty now?

    • bdtaxsupport March 12, 2019 at 6:42 am - Reply

      If your yearly income didn’t cross 250000 BDT then you don’t need to pay tax. And you don’t need to submit tax return with penalty. Thank you.

Leave A Comment

*

Shares
error: Content is protected !!