আয়কর বিবরণী জমা দেওয়ার প্রস্তুতি নিন এখন থেকেই । 

//আয়কর বিবরণী জমা দেওয়ার প্রস্তুতি নিন এখন থেকেই । 

আয়কর বিবরণী জমা দেওয়ার প্রস্তুতি নিন এখন থেকেই । 

২০১৭-১৮ আয় বর্ষের সাত মাস অতিবাহিত হয়ে আট মাস চলছে। আর চার মাস পরেই অর্থাৎ আগামী জুন মাসেই শেষ হতে যাচ্ছে ২০১৭-১৮ আয়বর্ষ যার উপর আপনাকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে আয়কর বিবরণী জমা দিতে হবে।

জুন মাস শেষ হওয়ার পর থেকেই অর্থাৎ ১লা জুলাই থেকেই আপনি আয়কর বিবরণী জমা দিতে পারবেন। গত কয়েক বছর ধরে ৩০শে নভেম্বর পর্যন্ত আয়কর দিবস পালিত হয়ে আসছে। বলা যায় উৎসবের মতোই পালিত হচ্ছে আয়কর দিবস।

আগে কয়েক দফা আয়কর জমা দেওয়ার শেষ দিন বাড়ালেও এখন আর তা করা হচ্ছে না। অর্থাৎ আপনাকে ৩০শে নভেম্বরের মধ্যেই আয়কর বিবরনী জমা দিতে হবে।

যেহেতু জুন মাসের আয়-ব্যয়ের উপর আপনাকে আয়কর বিবরণি জমা দিতে হয় সে হিসেবে আপনার হাতে আছে আর মাত্র কয়েকটি মাস। তাই প্রস্তুতি এখন থেকেই শুরু করে দেয়াটা ভালো।

তাহলে এখন থেকেই আপনি কি কি প্রস্তুতি নিতে পারেন?

প্রথম প্রস্তুতি হতে পারে, আপনার এ পর্যন্ত কতো টাকা আয় হয়েছে তা হিসেব করে দেখতে পারেন। এবং বাকি কয়েক মাসে আর কতো আনুমানিক আয় হতে পারে তা হিসেব করতে পারেন।

আপনার কাছে কর যোগ্য আয় হিসেব করা যদি জটিল মনে হয় তাহলে অনলাইন ভিত্তিক স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যার এর সাহায্য নিতে পারেন। সেখানে আপনি রেজিস্ট্রেশন করে আপনার যে যে খাতে আয় হয়েছে সে সব নির্দিষ্ট বক্সে বসিয়ে দিলেই আপনি পেয়ে যাবেন আপনার সারা বছরের কর যোগ্য আয়।

এক্ষেত্রে আপনি bdtax.com.bd-এর সাহায্য নিতে পারেন। এখানে খুব সহজেই রেজিস্ট্রেশন করে আপনি পেয়ে যেতে পারেন আপনার কর যোগ্য আয়, দায়, এবং কর রেয়াত ।

আপনি যখন কর যোগ্য আয় পেয়ে যাবেন তখনি আপনি বুঝে যাবেন কর রেয়াত পেতে হলে আপনাকে কতো টাকা বিনিয়োগ বা অনুদান দিতে হবে।

বিনিয়োগ বা অনুদান খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারন এর উপর আপনি নির্দিষ্ট হারে কর রেয়াত পাবেন যা আপনার মোট কর দায় অনেকাংশে কমিয়ে দেবে।

আপনি যদি না জানেন আপনার কর যোগ্য আয় কতো হতে পারে বছর শেষে তাহলে আপনি বিনিয়োগ বা অনুদান সম্পর্কে জানতে পারবেন না। এর ফলে আপনি যত টাকা কর রেয়াত পেতেন তা থেকে কম রেয়াত পেতে পারেন যার ফলে আপনি কর রেয়াত সুবিধা কম পাবেন।

আবার সব খাতে বিনিয়োগ করলেই বা অনুদান দিলেই সেই বিনিয়োগকৃত বা অনুদানকৃত টাকার উপর রেয়াত পাবেন না। আপনি যদি আপনার বিনিয়োগ বা অনুদানের উপর কর রেয়াত পেতে চান তাহলে আপনাকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নির্ধারন করে দেয়া খাতে বিনিয়োগ করতে হবে।

কেবল তখনি আপনি সেই বিনিয়োগ বা অনুদানের উপর নির্দিষ্ট হারে কর রেয়াত পাবেন।

অনেকেই আগে থেকে না জানার কারনে সঠিক খাতে বিনিয়োগ করতে পারেন না। আবার পরে করবো, হাতে এখনো অনেক সময় আছে এটা ভেবেও আর করা হয়ে উঠে না।

তাই আগে থেকেই জেনে নিন আপনাকে কি কি করতে হবে। কোথায় কোথায় যেতে হবে। এ সবই আপনি যদি আগে থেকেই জেনে নেন তাহলে আয়কর আইনে যে সুবিধাগুলো আছে তা যেমন ভোগ করতে পারবেন আবার তেমনি শেষ দিকে গিয়ে তাড়াহুড়াও করতে হবে না।

Jasim Uddin Rasel
Facebook
©BDTax.com.bd 2018

By | 2018-10-15T09:36:47+00:00 February 12th, 2018|Tax Filing|0 Comments

About the Author:

Leave A Comment

*

Shares
error: Content is protected !!