সরকার কর্তৃক পাওয়া প্রণোদনা, অনুদান, কর ছাড় আপনার রিটার্নে কিভাবে দেখাবেন।

//সরকার কর্তৃক পাওয়া প্রণোদনা, অনুদান, কর ছাড় আপনার রিটার্নে কিভাবে দেখাবেন।

সরকার কর্তৃক পাওয়া প্রণোদনা, অনুদান, কর ছাড় আপনার রিটার্নে কিভাবে দেখাবেন।

সরকার বিভিন্ন সময়ে করদাতাদেরকে সুবিধা দিয়ে থাকে। এটা হতে পারে প্রণোদনা বা অনুদান। আবার হতে পারে কর ছাড় বা কর রেয়াত।

এ বছর করোনা মহামারির কারনে অনেকেরই আয় কমে গেছে। আবার অনেকেরই আয় বন্ধ হয়ে গেছে। এমন অবস্থায় সরকার কিছু প্রণোদনা দিয়েছে যেমন, নগদ সহায়তা। আবার এ বছর যারা নতুন করদাতা তারা যদি অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করেন তাহলে দুই হাজার টাকা কর রেয়াত পাবেন।

যদিও আপনারা হয়তো ইতোমধ্যেই জেনে গেছেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এর যে ওয়েবসাইট আছে যার মাধ্যমে অনলাইনে নতুন করদাতারা রিটার্ন দাখিল করবেন তা এ বছর কাজ করবে না। অর্থাৎ বন্ধ আছে। কিন্তু আপনি যদি এই করোনা সময়ে অনলাইনে রিটার্ন তৈরি করে বাসায় বসে রিটার্ন দাখিল করতে চান তাহলে bdtax.com.bd -এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। এ বছর থেকে আমরা এই সেবাও করদাতাদের  দিচ্ছি।  

যাই হোক, সরকার যদি কোন প্রণোদনা আপনাকে দেয় তাহলে তখন সরকার বলে দেবে আপনি এই প্রণোদনার উপর আয়কর দিবেন কিনা। এবং যদি দিতে হয় তাহলে কিভাবে দিবেন। কতো দিবেন। তাই আপনি প্রথমে সেই নির্দেশনা অনুযায়ী কর গণনা করবেন। যদি কোন কর দেওয়া না লাগে, অর্থাৎ, করমুক্ত থাকে তাহলে আয়কর রিটার্নে কর অব্যাহতির একটি ঘর আছে আপনি সেখানে লিখে দিবেন। অনুদানের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য।

তবে যদি কোন কিছু উল্লেখ না থাকে তাহলে তার উপর আয়কর দিতে হবে। যদি কর দিতে হয় তাহলে যেহেতু তা করযোগ্য আয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে তাই আপনি তা আয়ের সাথে যোগ করে দেখাবেন।

আর যদি কর রেয়াতের বা কর ছাড় সুবিধা পেয়ে থাকেন সরকারের কাছ থেকে তাহলে তা আপনার কর দায় হ্রাস করবে। কর রেয়াত আমরা বিনিয়োগ ভাতার উপর পেয়ে থাকে। আমরা প্রথমে বিনিয়োগ ভাতা বের করি এবং পরে তার উপর নির্দিষ্ট হার ব্যবহার করে কর রেয়াত গণনা করে কর দায় থেকে বাদ দিয়ে থাকে।

এই কর রেয়াত যেহেতু ব্যতিক্রম তাই আপনাকে বিনিয়োগ ভাতা থেকে আলাদা করে দেখানোই ভালো। তাহলে কর কর্মকর্তা সহজে বুঝতে পারবেন। তবে এক্ষেত্রেও সরকার বলে দিতে পারে কিভাবে আপনি এই কর রেয়াত আপনার আয়করের সাথে সমন্বয় করবেন। যদি বলা থাকে তাহলে আপনি সেভাবেই দেখাবেন।

করোনা ভাইরাসের কারনে এবছর আয়কর মেলা হচ্ছে না। তাই করদাতারা এবার তাদের নিজ নিজ ট্যাক্স সার্কেল-এ রিটার্ন দাখিল করবেন। আর বেশি দিন বাকি নেই। জরিমানা ছাড়া ৩০ নভেম্বরের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করা যাবে।  

আর শেষ সময়ে ভিড়ের মধ্যে না গিয়ে এখনি রিটার্ন তৈরি করে দাখিল করতে পারেন। এ জন্য আপনি bdtax.com.bd -এর সহযোগিতা নিতে পারেন। আপনার রিটার্ন তৈরি থেকে শুরু করে রিটার্ন দাখিল পর্যন্ত সব সেবাই এ বছর bdtax.com.bd তে পাচ্ছেন।

জসীম উদ্দিন রাসেল

By | 2020-10-14T16:06:43+00:00 October 14th, 2020|Tax Filing|0 Comments

About the Author:

Leave A Comment

*

Shares
error: Content is protected !!