প্রতি বছরই করদাতারা আমাদেরকে বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন করে থাকেন। এই প্রশ্নগুলোর অন্যতম একটি হলো আয়কর রিটার্নে আয় বা ব্যয় এবং সম্পদের পরিমান বেশি দেখালে কোন লাভ আছে কিনা এবং দেখালে এর উপর করের কোন প্রভাব আছে কিনা?
প্রথমেই লক্ষ্য করুন, এই প্রশ্নের মধ্যে একটি বিষয় উঠে এসেছে আপনি আয়কর রিটার্নে যা দিবেন তা বাড়িয়ে দেখাতে চাচ্ছেন যেটা প্রকৃতপক্ষে আপনার কাছে নেই। অর্থাৎ আপনি সত্য তথ্য আয়কর রিটার্নে দেখাচ্ছেন না। কিন্তু আপনি যখন আয়কর রিটার্ন তৈরি করে জমা দিচ্ছেন তখন তার উপরে কয়েকটা লাইন লেখা থাকে। সেখানে আপনি অঙ্গীকার করছেন, আপনি আয়কর রিটার্নে যা উপস্থাপন করেছেন তা সঠিক এবং পূর্ণাঙ্গ।
এখন আপনিই বলুন, আপনার অঙ্গীকারের সাথে আপনি যা আয়কর রিটার্নে দেখাচ্ছেন তা সাংঘর্ষিক কি না? যদি তাই হয় এবং কোন সময় যদি কর কর্মকর্তার নজরে আসে তাহলে আপনার যা নেই তা আপনি দেখাতে পারবেন কিনা? যদি না পারেন তাহলে কর কর্মকর্তা ধরে নিতে পারেন আপনি অবৈধভাবে অর্থ উপার্জন করেছেন যার তথ্য আপনি গোপন করেছেন বা করছেন এবং কর ফাঁকি দিয়েছেন।
এটা হল একটা আনুমানিক সমস্যা। এমন অনেক সমস্যা কর কর্মকর্তা বের করতে পারেন যা আপনার সমস্যা ডেকে আনতে পারে।
অতএব, আপনার যদি বৈধ উপায়ে অর্থ অর্জন হয়ে থাকে তাহলে সবচেয়ে ভালো উপদেশ হলো আপনার যা আছে আপনি আয়কর রিটার্নে তাই দেখাবেন। এতে করে ভবিষ্যতে কোন আইনি ঝামেলায় পড়তে হবে না।
তবে কেউ কেউ হয়তো বলবেন, অনেকেই আয়কর রিটার্নে বেশি বেশি দেখিয়ে থাকেন। প্রশ্ন করতে পারেন, কোথায় তাদেরতো কোন সমস্যা হয় না? কখনো তো শুনিনি তারা বিপদে পড়েছে? এটা আপনি বলতেই পারেন। কারন আপনার আশেপাশে যারাই আয়কর রিটার্নে বেশি দিয়েছে তারা ভাগ্যবান যে তাদের ফাইল অডিটের আওতায় পড়েনি। তবে আপনিও সেই ভাগ্যবানদের দলে পড়বেন কিনা সেটার কি কোন নিশ্চয়তা আছে?
তাই ভাগ্যের উপর সব ছেড়ে না দিয়ে খরচ, সম্পদ অথবা দায়ের সমন্বয় আপনার রিটার্নে সঠিকভাবে রাখতে bdtax.com.bd এ আপনার আয়কর প্রস্তুত করুন এবং নিশ্চিন্তে থাকুন।
জসীম উদ্দিন রাসেল

Leave A Comment